ডেমরা থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রানা একজন নিপীড়িত ছাত্র নেতা। রাজনীতিতে তরুণ তুর্কি এই মাসুদ রানাকে গত ফ্যাসিস্ট সরকার যেই নির্যাতন-নিপীড়ন করেছে সেই বর্বরতা হার মানিয়েছে সকল নিষ্ঠুরতাকে।
বিরোধী মতকে দমন করতে করতে যখন মাঠ খালি করে ফেলেছিল ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটুয়া বাহিনী সেই সময় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে নিজের জীবন বাজি রেখে মাঠে দাঁড়িয়েছেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান মাসুদ রানা। তার পিতা শাজাহান মিয়া ছিলেন একজন রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী একজন কর্মী। বাবার কাছ থেকে দেখে তিনি ও জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সকল নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে থাকেন তিনি।
একজন ছাত্রনেতা হিসেবে যেভাবে রাজপথে সরকারবিরোধী আন্দোলনকে তিনি উজ্জীবিত করেছেন তা সত্যিই বিরল ঘটনা। তাকে দমাতে আওয়ামী লীগ সরকারের পেটুয়া বাহিনী ক্রসফায়ারে দেওয়ারও চেষ্টা করেছিল। চোখ বেঁধে পিছনে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে কলেমাও পড়ানো হয়েছিল। দৈবক্রমে আল্লাহর অশেষ রহমতে ক্রসফায়ারের হাত থেকে তিনি বেঁচে যান। ডিবি হারুনের জিঘাংসার শিকার হয়ে নির্যাতন ভোগ করেন। তারপরেও হাল ছাড়েননি। একাধিকবার তাকে ডিবি হারুন অফিসে নিয়ে নিষ্ঠুর নির্যাতন চালানো হয়।
গত ৫ আগস্ট এর আগে যখন ছাত্র জনতার আন্দোলন চলছিল সেই সময়ে ১৯ জুলাই র্যাব পুলিশ ডিবি পুলিশের গনগ্রেপ্তারে রাজপথ খালি হয়ে গিয়েছিল সেই সময়ে অসীম সাহসিকতার সাথে মসজিদের মাইকে সরকার বিরোধী প্রচারণা চালিয়ে সকলকে রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য উৎসাহ যুগিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে পুলিশ হত্যার মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে।
এমন কোন অত্যাচার নির্যাতন বাকি নেই যা তার ওপর করা হয়নি। গত ৫ আগস্ট এর পর ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে সরকার পতন হলে মুক্ত বাতাসে ফিরে আসেন ছাত্রদল নেতা মাসুদ রানা। তার রাজনীতিতে যেই অবদান চিরদিন স্মরণ রাখবে এই জাতি।