সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে কথিত সাংবাদিক রেজাউল গ্রুপের বিরুদ্ধে ৩০ হাজার টাকা চাঁদাদাবির অভিযোগ তুলে সংবাদ সন্মেলন করেছেন বিএনপি নেতা আইনাল হক।
মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে বেলকুচি উপজেলার বড়ধূল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দের আয়োজনে বেলকুচি প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বড়ধুল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও ইউপি সদস্য আইনাল হক।
লিখিত বক্তব্যে আইনাল হক বলেন, গত রোববার বড়ধুল ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রানলয়ের বরাদ্দকৃত জিআর এর চাউল বিতরণ করছিলাম । এমন সময় কথিত সাংবাদিক রেজাউল করিম, সোহরাওয়ার্দী, মনজুরুল ইসলাম, রানা সহ কয় জন কথিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে আমার কাছে আসেন। তাদের সাথে কথা হলে রেজাউল নামে একজন আমাকে বলেন আপনি একজনকে চাউলের ডাবল স্লিপ দিয়েছেন।
আপনি যদি আমাদের ত্রিশ হাজার টাকা না দেন তাহলে আপনাকে নিউজের মাধ্যমে মানহানি করা হবে।
তিনি বলেন,তখন তাদের আমি বলি আপনারা সাংবাদিক হলেও সমস্যা নেই। কেননা চাল বিতরণ হচ্ছে সরকারের নিযুক্ত ট্যাগ অফিসারের মাধ্যমে। তখন কথিত সাংবাদিক রেজাউল বিভিন্ন কথা বলে আমাকে নানা ভয় দেখায় ও তার দাবি করা টাকা না দিলে মানহানির হুমকি দামকি দিতে থাকে। আমি কথিত ওই সাংবাদিককে বলি ভাই আমি কোন অবৈধ কাজের সাথে জড়িত না। অহেতুক আমাকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলেছেন। তখন সে বলে ত্রিশ হাজারের এক টাকা কম পেলে আপনাকে মানহানি করা হবে। তখন আমি আমার সামাজিক অবস্থানের দিকে তাকিয়ে রেজাউল ও তার সহযোগী সোহরাওয়ার্দী কে ডেকে নিয়ে মানুষের কাছে থেকে হাওলাত করে তাদেরকে দশ হাজার টাকা দেই।
এই টাকা নিয়ে তারা তাৎক্ষনিক স্থান ত্যাগ করে চলে আসেন।
লোক মুখে আমি জানতে পারি, কথিত সাংবাদিক রেজাউল দশ হাজার টাকা নিয়ে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ্রপ্রচার চালিয়েছে ।
আমি যখন জানতে পারি এই কথিত সাংবাদিক আমার বিষয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়েছে তখন আমি তাকে ফোন দিলে সে আমাকে বলেন, দাবিকৃত টাকা দিলে আমরা এটা করতাম না।
আমি এই চাঁদাবাজা কথিত সাংবাদিক রেজাউল গ্রুপের শাস্তি দাবি করছি।
সেই সাথে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে রেজাউল বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি যেন না করতে পারে সে বিষয়ে আমি সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।
ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব সুমন বলেন, কথিত সাংবাদিক এই রেজাউল বিগত আওয়ামীলিগের সময় মমিন মন্ডলের বাড়িতে সব সময় থাকতো তিন বেলা খাবার খেত, ২৪ জুলাই এর পরে এখন সে বিএনপির রাজনীতি করে এবং এই দলের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন যায়গার চাঁদাবাজি করে। এই কথিত সাংবাদিক রেজাউল গংদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু বিচার দাবি জানিয়েছেন বেলকুচির সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীমের কাছে।
সাংবাদ সন্মেলন, বড়ধুল ইউনিয়ন বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব আবু তাহের লাবলু, বিএনপি নেতা মফিজ উদ্দিন, জেলহক, শাহান তালুকদার, সুমন শেখ সহ স্থানীয় বিএনপি ও তার অংগসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।