ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার হাজার হাজার বিএনপি নেতাকে খুন করেছিল। শেখ হাসিনা সরকার দেশটাকে কারাগারে পরিণত করেছিল। ১৬টি বছর আওয়ামী লীগ সরকার মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। গুম ,খুন করে ও মিথ্যা মামলা দিয়ে একটি নির্বিকার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল হাসিনা। তাতে রেহাই পায়নি হাসিনা। চোরের মত পালিয়েছে গেছে।
যশোর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান শহীদ আবু বকর আবু হত্যার বিচারের দাবিতে আবু বকর হত্যার বিচার দাবির সমন্বয়ক পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ এসব কথা বলেন।
গতকাল শনিবার বিকালে শহরের প্রধান সড়কে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মশিয়ার রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বদরুজ্জামান মিন্টু , পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম। এছাড়া বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম -আহ্বায়ক প্রভাষক আলা উদ্দিন আলা, রেজাউল ইসলাম, হুমায়ূন কবির সুমন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরীসহ আরো অনেকে।
উপজেলা যুবদল নেতা আব্দুল গফুরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন আবু বক্করের ভাই আবুল কাশেম, বোন আঞ্জুয়ারা বেগম, হুমায়ূন কবির, ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির ডালু, সাগদাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, মজিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুর রহমান, যুগ্ম -আহ্বায়ক ইব্রাহিম হোসেন, বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার কেএম খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, মঙ্গলকোট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবর রহমান, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার শফিকুল ইসলাম,
সাধারণ সম্পাদক মাস্টার রেজাউদ্দৌলা নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, পাজিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার মকবুল হোসেন মুকুল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সামছুল আলম বুলবুল, সদস্য সচিব বাবুল রানা বাবু, উপজেলা যুবদল নেতা আলমগীর সিদ্দিকী, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, সদস্য সচিব কেএম আজিজ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আজিজুর রহমান আজিজ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, আবু বকর আবু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ক্রয় ও জমা দেয়ার জন্য ২০১৮ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকা যান। সেখানে পল্টন এলাভকার মেট্রোপলিটন হোটেলর ৪১৩ নং কক্ষে অবস্থান নেন তিনি। ১৯ নভেম্বর বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার জন্য সেখানে অবস্থান করতে থাকেন। ১৮ নভেম্বর রাত ৮ টার পর রাজধানীর পল্টন এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হন। নিখোঁজের ৪দিন পর ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে মর্গে তার লাশ পাওয়া যায়।